‘রাজা উজির মারা’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
- লম্বা লম্বা কথা বলা
কোন শব্দ বা শব্দ-সমষ্টি বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে অর্থের দিক দিয়ে যখন বৈশিষ্ট্যময় হয়ে ওঠে, তখন সে সকল শব্দ বা শব্দ-সমষ্টিকে বাগধারা বলা হয় । অর্থাৎ, একটি বা কয়েকটি শব্দ বাক্যে একত্রে ব্যবহৃত হয়ে যখন ঐ শব্দ বা শব্দগুচ্ছের সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে কোন বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাদের বলা হয় বাগধারা বা বাক্যরীতি। বাগধারা মূলত কথ্য ভাষার সম্পদ হলেও তা এখন আর কেবল কথ্য ভাষায় সীমাবদ্ধ নেই । সাহিত্যে তার বিচরণ এখন যত্রতত্র পরিলক্ষিত হয়।
‘রাজা উজির মারা’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘রাজভারি’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘রগচটা’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘রাহুর দশা’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘রুই কাতলা’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘রক্তের টান’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘রক্ত গঙ্গা’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘রাজার হালে’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘লাজের মাথা খাওয়া’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘লঘুগুরু জ্ঞান’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘লবডঙ্কা’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘লাখ পঁচিশ’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘লেজে গোবর দেওয়া’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘লেজ গুটানো’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘লঙ্কা পায়রা’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘লঙ্কা পোড়া’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘রাতারাতি’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘রুপার চাকতি’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘লাটে ওঠা’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘লাই দেওয়া’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?