‘হদ্দমুদ্দ’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
- চেষ্টার শেষ পর্যন্ত
কোন শব্দ বা শব্দ-সমষ্টি বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে অর্থের দিক দিয়ে যখন বৈশিষ্ট্যময় হয়ে ওঠে, তখন সে সকল শব্দ বা শব্দ-সমষ্টিকে বাগধারা বলা হয় । অর্থাৎ, একটি বা কয়েকটি শব্দ বাক্যে একত্রে ব্যবহৃত হয়ে যখন ঐ শব্দ বা শব্দগুচ্ছের সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে কোন বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাদের বলা হয় বাগধারা বা বাক্যরীতি। বাগধারা মূলত কথ্য ভাষার সম্পদ হলেও তা এখন আর কেবল কথ্য ভাষায় সীমাবদ্ধ নেই । সাহিত্যে তার বিচরণ এখন যত্রতত্র পরিলক্ষিত হয়।
‘হদ্দমুদ্দ’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘হিমশিম খাওয়া’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘হীরার ধার’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘হোমরা চোমরা’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘হেস্তনেস্ত’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘হাত পাতা’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘হাঁদারাম’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘হা ঘরে’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘হিং টিং ছট’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘হাঁড়ি খেকো’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘বেনের কাছে মেকি চালান’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘বড়শি গাঁথা’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘বরাক্ষরে’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘বামন হয়ে চাঁদে হাত’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘বড় মাছের কাটাও ভালো’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘বুক চোড় চড় করা’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘বুকে ঢেঁকির পাড় পড়া’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘বইয়ের পোকা’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘বারো ভূতে’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?
‘বিশ বাঁও জলে’ – বাগধারা অর্থ কী হবে?