বাংলাদেশে প্রচলিত অংশীদারি আইন কত সালের?
- ১৯৩২
Practice related MCQ quizzes and improve step by step.
বাংলাদেশে প্রচলিত অংশীদারি আইন কত সালের?
সাধারণ অংশীদারি ব্যবসায়ে সর্বোচ্চ কতজন অংশীদার থাকতে পারে?
ব্যবসায়ের বন্টনযোগ্য মুনাফা এবং প্রত্যেক অংশীদারদে পাওনা নির্ণয় করে কীভাবে?
সমন্বিত মূলধন হিসাবের উভয় দিকের পার্থক্যকে কী বলে?
অংশীদারি কারবারের আয়তন কেমন হয়ে থাকে?
কোথায় অংশীদারের মধ্যে লাভ-লোকসান বন্টনের অনুপাত উল্লেখ থাকে?
চুক্তিতে উল্লেখ না থাকলে অংশীদারগণ কী হারে মূলধন সরবরাহ করবে?
অংশীদারি কারবারের লাভ-ক্ষতি বন্টনের হার উল্লেখ না থাকলে তা বন্টিত হবে –
অংশীদারগণ যদি দু’মাস অন্তর অন্তর একটি নির্দিষ্ট অর্থ উত্তোলন করে উক্ত উত্তোলনের ওপর কত সময়ের সুদ ধরতে হবে?
অংশীদারগণ কোন নির্দিষ্ট তারিখে নগদে উত্তোলন করলে উত্তোলনের সুদ নির্ণয় করা হয় –
ব্যবসায়ের সাথে অংশীদারদের দেনা-পাওনা সমন্বয় করে কী নির্ণয় করা হয়?
আইন অনুযায়ী অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন কী?
প্রতি মাসের মাঝামাঝিতে উত্তোলন ছিল ১,২৫,০০০ টাতা তরে. এর ৫% সুদের পরিমাণ কত?
অংশীদারদের মূলধন হিসাব সংরক্ষণ কয়টি পদ্ধতি ব্যাপক প্রচলিত?
ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগতভাবে ব্যবসায়ের প্রতিটি অংশীদারের দায় কেমন?
অংশীদারি চুক্তিতে উত্তোলনের ওপর সুদ ধার্যের কথা উল্লেখ না থাকলে সুদের হার কত হবে?
প্রকৃতপক্ষে নিবন্ধন বলতে কোনটি বোঝায়?
স্থিতিশীল মূলধন পদ্ধতিতে মূলধনের পরিমাণ সমান ও মূলধন সর্বদা কোন ব্যালেন্স নির্দেশ করে?
অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান কোনটি প্রস্তুত করে না?
বকেয়া খরচ হিসাবকালের কোন জাতীয হিসাব?