ভূমি জরিপ বা ল্যান্ড সার্ভে একটি টেকনিক্যাল কার্যক্রম। এর সাহায্যে একটি এলাকার বা নির্দিষ্ট ভূমিখন্ডের একটি নির্দিষ্ট স্কেলে নির্দিষ্ট মানের কাগজে পরিমাপ গ্রহণক্রমে এর অবস্থান, আয়তন ও সীমানা নির্ণয় করা হয়। এরূপ কার্যক্রম এর মাধ্যমে একটি মৌজার নকশা তেরি হয় এবং পরবর্তীতে এর উপর ভিত্তি করে ভূমি খন্ডের দখল ও মালিকানার বর্ণনা নিয়ে একটি খতিয়ান প্রণীত হয়। এ দু’টো মিলে রেকর্ড অব রাইট বা স্বত্বলিপি প্রস্তুত হয়। ভূমি জরিপ সুষ্টভাবে সম্পন্ন করা না গেলে সরকারের জমি যেমন অবৈধ দখল হয়ে যেতে পারে, তেমনি ব্যক্তিগত জমির ক্ষেত্রে জমির মালিকানা সমস্যা হতে পারে। যা জাতীয় ও সামাজিক বিশৃঙ্খলা হিসেবে ভয়ংকর আকার ধারণ […] Read more

জমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতার অবশ্য জমির প্রকৃত মালিকানা যাচাই করা প্রয়োজন। কারন অনেকে সময় লক্ষ্য করা যায়, জমি ক্রয় করার পর তা দখলে যাওয়া মুশকিল হয়ে যায়। কারণ হিসেবে দেখা গেছে জমির বর্তমান দখলকারী যিনি বিক্রি করছেন তিনি আসলে প্রকৃত মালিক নন। অথবা, জমির সম্পূর্ণ বা পুরো মালিক বিক্রেতা নয়। এরকম কিছু বিষয় এড়ানো জন্য এবং খুব বড় পরিমাণে আর্থিক ক্ষতি হওয়ার আগেই জমির প্রকৃত মালিকানা যাচাইকরণ আপনার জানা অব্যশই বাধ্যতামূলক। জমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিক্রেতার নিকট হতে প্রাপ্ত মালিকানা সম্পর্কীয় দলিলাদি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করে দেখতে হবে। বিক্রেতার বর্তমান মালিকানা কিভাবে প্রাপ্ত এবং কতটুকু তা আপনার জানা প্রয়োজন। বিক্রেতা যদি ওয়ারিশসূত্রে […] Read more

ভূমি পরিমাপ

ভূমি পরিমাপের জন্য Standard Measurement  যা “সরকারি মাপ” বলে যা পরিচিত, তার জন্য নিন্ম পরিমাপ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এই পরিমাপ সারাদেশে সর্বজন গৃহীত। ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতক কাঠা, বিঘা এবং একর ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় দলিলাদি লিখন, সরকারি হিসাব ও অফিসের কাজ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ে ভূমির পরিমাপে এই পদ্ধতিতেই লিপিবদ্ধ করা হয়। তবে জমি মাপ ঝোঁক করার পূর্বে, আমরা কিছু পরিমাপের পদ্ধতি চর্চা করব।   মেট্রিক পদ্ধতিঃ দৈর্ঘ্য পরিমাপের অন্যতম মাধ্যম মেট্রিক পদ্ধতির একক হল- মিটার সহস্র – কিলোমিটার শতক – হেক্টোমিটার দশক – ডেকামিটার একক – মিটার দশমাংশ – ডেসিমিটার শতাংশ – সেন্টিমিটার সহস্রাংশ – মিলিমিটার মেট্রিক পদ্ধতিতে এক […] Read more

© 2017 Micro Solutions Bangladesh and/or MCQ Academy.